Gita Championship Final Notes (Bangla)

নির্বাচিত বিষয়ের নোটের নমুনা উত্তরঃ
1. দেব-দেবী
উদ্ধৃতিঃ
৩/১১-১২, ৪/১২,২৫, ৭/২০,২১,২২,২৩, ৯/২৩,২৫, ১০/২, ১১/৫২, ১৭/৪
উপমাঃ
৯/২৩ শাসক ও সঞ্চালকেরা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি রূপে নিয়োজিত থাকেন এবং তাদের উৎকোচ দেওয়া অবৈধ। শ্রীকৃষ্ণ অনাবশ্যক দেবোপসনা কখনই অনুমোদন করেন না।
৯/২৩ প্রজার কর্তব্য হচ্ছে রাষ্ট্রের আইন পালন করা, কর্মচারীর অথবা সঞ্চালকদের কল্পিত বিধান পালন করা কখনই তার কর্তব্য নয়। তেমনই সকলেরই কর্তব্য হচ্ছে কেবল পরমেশ^র ভগবানের আরাধনা করা।
৩/১২ যদি জীবনের উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে ভগবানের দেওয়া সম্পদগুলি কেবল ইন্দ্রিয়সুখ ভোগের জন্য ব্যবহার করি এবং তার বিনিময়ে ভগবানকে এবং তাঁর প্রতিনিধিদের কিছুই না দিই, তবে তা চুরি করার সামিল।
৩/১৪ দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেমন সারা দেহের সেবা করে, ভগবানের অঙ্গস্বরূপ বিভিন্ন দেবদেবীরাও তেমন ভগবানের সেবা করেন।
উদাহরনঃ
৭/২০ রোগ নিরাময়ের জন্য সূর্যদেবের উপাসনা করা।
৯/২৫ দেবতাদের উপাসকেরা দেবলোকে যান।
৩/১২ যারা মাংসাশী তাদের জড়াপ্রকৃতির বীভৎস-রূপী কালীর পূজা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং কালীর কাছে পশুবলি দেওয়ার বিধান দেওয়া হয়েছে।
৪/১২ জড় জগৎ, জড় জগতের বাসিন্দা, এমনকি বিভিন্ন দেব-দেবী এবং তাদের উপাসকেরা সকলেই হচ্ছে মহাজাগতিক সমুদ্রের বুদ্বুদ।
৭/২২ দেবোপসনা হচ্ছে প্রাকৃত, আর ভগবদ্ভক্তি হচ্ছে সম্পূর্ণরূপে অপ্রাকৃত।
উপাখ্যানঃ
১৭/৪ হিটলারের পূজা
১৭/৪ ভূত-প্রেত সম্বলিত গাছের পূজা।
2. আহার
উদ্ধৃতিঃ
৩/১৩-১৪,৬/১৬-১৭, ৯/২৬-২৭, ১৫/১৪, ১৭/৭-১০, ১৮/৫২
উপমাঃ
৩/১৪ যখন কোন সংক্রামক ব্যাধি মহামারী রূপে ছড়িয়ে পড়ে তখন রোগ প্রতিষেধক টীকা নিলে মানুষ তা থেকে রক্ষা পায়। সেইরূপ ভগবান বিষ্ণুকে অর্পন করার পরে সেই আহার্য প্রসাদরূপে গ্রহন করলে জাগতিক কলুষতার প্রভাব থেকে যথেষ্ঠ রক্ষা পাওয়া যায়।
৪/২৫ নানারকম দুগ্ধজাত খদ্যের অত্যাহারের ফলে যখন পেটের অসুখ হয়, তখন আর একটি দুগ্ধজাত খাদ্য দইয়ের দ্বারা সেই রোগ নিবারন করা হয়।
উদাহরনঃ
২/৬২-৬৩ ভক্তদের জোড় করে ইন্দ্রিয় দমন করতে হয় না, প্রসাদ গ্রহনের ফলে।
৭/১৫ বিষ্ঠাহারী শুকর কখনই দুধ, ঘি, চিনির তৈরী মিঠাই খেতে চায় না।
১৭/৮ শ্রেষ্ঠ খাদ্য হচ্চে সেই খাদ্য যা পরম পুরষোত্তম ভগবানকে নিবেদন করা হয়েছে।
উপাখ্যানঃ
১/১৫ ভীমের প্রচুর পরিমাণে আহার করার কাহিনী।
৯/২৬ দরিদ্রতম ব্যক্তির কোন রকম যোগ্যতা ছাড়াই ভগবানকে নিবেদন করার অনুশীলনের কাহিনী।
3. পি-দান
উদ্ধৃতিঃ
১/৪১
উপমাঃ
নাই
উদাহরনঃ
১/৪১ পি-দান করাটা বংশানুক্রমিক রীতি।
উপাখ্যানঃ
নাই
জীব
উদ্ধৃতিঃ
২/২৮,৫৫,৫৯,৩০, ৩/২৭, ৪/৩৫, ৫/৭,১৩,১৪,১৫,২৫, ৭/৫,২৭, ৮/৩, ১২/৫, ১৩/২১,২২,২৩, ১৪/২,৩,১৪,২০, ১৫/৭,৮,৯,১৩,১৫,১৬, ১৬/৬, ১৮/১১,২০,৬১.
উপমাঃ
৯/১০ মাতার গর্ভে বীজ প্রদান করে পিতা সন্তান উৎপাদন করেন, তেমনই পরমেশ^র ভগবান তাঁর দৃষ্টিপাতের মাধ্যমে জড়া প্রকৃতির গর্ভে সমস্ত জীবকে সঞ্চারিত করেন এবং এই সমস্ত জীব তাদের পূর্ব কামনা-বাসনা অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন রূপ ও যোনি প্রাপ্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
৪/১৪ কোন প্রতিষ্ঠানের মালিক েেযমন তাঁর কর্মচারীদের সৎ অসৎ কোন কর্মেও জন্যই দায়ী নন, কর্মচারীরাই তার জন্যে দায়ী হয়ে থাকে, জীবও তেমনই তার কর্মফল ভোগ করে থাকে।
৭/৬ ভগবানের অনুসদৃশ অংশ জীব একটি গগনচুম্বী অট্টালিকা, একটি বৃহৎ কারখানা অথবা একটি বড় শহর গড়ে তুলতে পারে, কিন্তু সে কখনও একটি বিশাল ব্রহ্মান্ড গড়তে পারেনা।
৭/১৯ জীবের দেহের মধ্যে যে বাকশক্তি, দুষ্টিশক্তি , শ্রবণশক্তি, চিন্তাশক্তি আসল জিনিস নয়, প্রাণ শক্তিই সমস্ত ক্রিয়াকলাপের কেন্দ্রবিন্দু। ঠিক সেই রকমভাবে ভগবান বাসুদেব অর্থাৎ পরম পুরষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছেন সব কিছুর মূলসত্তা।
উদাহরণঃ
৮/১৯ ব্রহ্মার দিনের বেলায় জীব প্রকাশিত হয় এবং রত্রিবেলায় তার আবার লয় প্রাপ্ত হয়।
১৩/৩২ জড় দেহের জন্ম হওয়ার ফলে মনে হয় জীবের জন্ম হয় কিন্তু প্রকৃত পক্ষে জীবশ^াশত, সনাতন , তারজন্ম হয়না এবং জড় দেহে স্থিতহলে সে গুণাতীত ও শ^াশত।
১৫/৭ পরমেশ^র ভগবানের অণুসদৃশ অংশ হওয়ার ফলে জীব গুণগতভাবে ভগবানের সঙ্গে এক, যেমন সোনার একটি কণাও সোনা।
উপাখ্যানঃ
নারদ মুনির ভগবৎ সেবার মাধ্যমে চিন্ময় দেহ লাভের উপাখ্যান।
প্রকৃতি
উদ্ধৃতিঃ
৩/২৭,৩৩, ৪/৬, ৫/১৪, ৭/৪,৫,৭, ৮/৪,২০, ৯/৭,৮,১০,১৩, ১৩/২০-২২,৩০-৩২, ১৪/২,৩,১৯, ১৭/৭, ১৮/৫৯
উপমাঃ
৪/১ এই জড় জগতে সংবিধানে উল্লেখ থাকে যে, রাজা কোন ভুল করতে পারেন না অথবা রাষ্ট্রের আইনের অধীন নন। তেমনই এই জড় জগতের অধীশ^র ভগবানও জগতের কোন কর্মের দ্বারা আবদ্ধ হন না।
৭/৭ সুত্রে যেমন মণি সমুহগাথা থাকে, তেমনই সমস্ত বিশ^ই আমাতে ওত:প্রোত ভাবে অবস্থান করে।
৯/১০ মাতার গর্ভে বীজ প্রদান করে পিতা সন্তান উৎপাদন করেন তেমনই পরমেশ^র ভগবানতার দৃষ্টিপাতের মাধ্যমে জড়া প্রকৃতির গর্ভে সমস্ত জীবকে সঞ্চারিত করেন এবং এই সমস্ত জীব তাদের পূর্ব কর্মবাসনা অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন রূপ ও যোনিপ্রাপ্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
১৪/৩ কাকড়িিবছে চালের গাদায় ডিম পাড়ে তাই অনেক সময় বলা হয় যে, চাল থেকে কাকড়াবিছের জন্ম হয় । প্রকুত পক্ষে মা বিছা সেই ডিমগুলি পেড়েছিল। তেমনই জড়া প্রকৃতি জীবের জন্মের কারন নয়।
উদাহরণঃ
৪/১৪ জীব জড়া প্রকৃতির উপর আধিপত্য করতে চায় বলে কর্মফলের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পড়ে।
১৩/২১ দেহটি জড় পদার্থ বলেই জড়া প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণাধীন হয়ে পড়ে।
উপাখ্যানঃ
৯/৭-৮ জড়া প্রকৃতি তিন পুরুষের দ্বারা নিয়ন্ত্রনের উপাখ্যান।
ইন্দ্রিয়
উদ্ধৃতিঃ
২/১৪,৪২,৪৩,৫৮-৬০,৬২,৬৩,৬৭,৬৮, ৩/৩৪,৪০,৪২, ৪/২৬, ৫/২২, ১৩/৯,৬,১৫, ১৫/৯, ১৮/৩৮
উপমাঃ
২/৫৮ কূর্ম যে কোন সময় তার হাত, পা, মাথা আদি অঙ্গগুলি তার খোলসের মধ্যে গুটিয়ে নিতে পারে, আবার প্রয়োজন হলে তাদের বার করে আনতে পারে। ঠিক তেমনই কৃষ্ণভাবনাময় ভগবদ্ভক্ত ভগবানের বিশেষ প্রয়োজনেই তার ইন্দ্রিয়গলিকে প্রয়োগ করেন, আর অন্য সময় তাদের গুটিয়ে রাখেন। এভাবেই্ ইন্দ্রিয়দমন করার মাধ্যমে একাগ্রচিত্তে ভগবানের সেবা করা যায়।
২/৫৮ ইন্দ্রিয়গুলিকে বিষধর সর্পের সাথে তুলনা করা হয়। সাধারণ অবস্থায় ইন্দ্রিয়গুলি স্বেচ্ছাচারী, উচ্ছৃঙ্খল, কিন্তু সাপুড়ে যেমন সাপকে পোষ মানায়, যোগী বা ভগবদ্ভক্ত ঠিক তেমনভাবে তাদের ইন্দ্রিয়গুলিকে নিজের ইচ্ছা অনুসারে পরিচালিত করেন।
২/৫৯ বিধি-নিষেদের দ্বারা ইন্দ্রয়সুখ ভোগ থেকে নিবৃত্ত হওয়ার পন্থা অনেকটা রোগীর বেশেষ ধরনে রখাদ্যের প্রতি নিষেধাজ্ঞার মতো।
২/৬৭ প্রতিকূল বায়ু নৌকাকে যেমন অস্থির করে , তেমন সদাবিচরণ কারিী যে কোন একটি মাত্র ইন্দ্রিয়ের আকর্ষনেও মন অসংযত ব্যক্তির প্রজ্ঞাকে হরণ করতে পারে।
২/৬৮ উচ্চতর শক্তি প্রয়োগ করে শত্রুদের দমন করা যায়, ইন্দ্রিয়গুলিকে তেমনই উপায়ে দমন করতে হয়-কোনও মানবিক প্রচেষ্টায় তা হয় না।
১৮/৫৪ বিষ দাত ভাঙা সাপের কাছ থেকে যেমন কোন রকম ভয় থাকে না, তেমনই ইন্দ্রিয়গুলি থেকে আর কোন ভয়ের আশঙ্কা থাকে না, যখন তারা আপনা থেকেই সংযত হয়।
উদাহরণঃ
২/৫৮ ভক্তও কূর্মের ন্যায় তার ইন্দ্রিয়সমূহকে ভগবানের সেবায় ব্যবহার করে।
২/৬০ কৃষ্ণভক্তি আস্বাদন করার ফলে ইন্দ্রিয়(মন) আপনা থেকেই শান্ত হয়ে যায়।
৪/৬ প্রকৃতপক্ষে সূর্য তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে রয়েছে, কিন্তু আমাদের ত্রুটিপূর্ণ ইন্দ্রিয়ের প্রভাবে আমরা মনে করি যে, সূর্য উদিত হয় এবং অস্ত যায়।
৪/২৬ ব্রহ্মচারীরা সদগুরুর তত্ত্বাবধানে থেকে ইন্দ্রিয় দমন করে মনকে সংযত করেন।
১৮/৩৮ ইন্দ্রিয় ও ইন্দ্রিয়ে বিষয়ের মিলনের ফলে উদ্ভুত যে সুখ, তা সর্বদাই দু:খদায়ক।
উপাখ্যানঃ
২/৬০ বিশ^ামিত্র মুনির অনিয়ন্ত্রিত ইন্দ্রিয়ের উপাখ্যান।
২/৬১ অম্বরীষ মহারাজের ইন্দ্রিয় দমনের কহিনী।